Description
কালের এই অমোঘ আখ্যানে তিনি নায়ক নন, প্রতিনায়ক নন। তিনি শাসক নন, শাসিত তো ননই। প্রেমিক হিসেবে তিনি নিষ্ঠুরতম, সখা হিসেবে তিনি প্ররোচকপ্রবর। তিনি শ্রেষ্ঠ রাজপুরুষ দ্বারা প্রশংসিত; দিগ্বিজয়ী সম্রাট দ্বারা লাঞ্ছিত। আর এই ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ, তরঙ্গসংকুল সময়ের মধ্যে দাঁড়িয়েও তিনি দুঃখেষু অনুদ্বিগ্নমনা সুখেষু বিগতস্পৃহঃ।
প্রেয়সীর ভর্ৎসনা, জ্ঞাতিদের অনাস্থাজনিত সংশয়, প্রিয় সখার অব্যবস্থিতচিত্ততা এমনকী ভাবীকালের জটিল সমালোচনার ক্ষুরধার— কিছুই তাঁকে বিচলিত করে না, কিছুই তাঁকে আন্দোলিত করে না।
কিন্তু সত্যিই কি তাই? মানুষ অগ্নিকুণ্ড রচনা করে উষ্ণতা, নিরাপত্তা ও ধ্বংসের আকাঙ্খায়। আগুন নিজে কেন জ্বলে? কেন সে সহ্য করে নেয় সেই অপ্রমেয় দহনযন্ত্রণা? কোন অনির্দেশ্য নিয়তির অঙ্গুলিহেলনে? কোন উদ্দেশে?
“দহনপুরুষ” অবতার নয়, রাষ্ট্রপুরুষ নয়, প্রেমিক বা যোদ্ধা নয়, এ-সকল বর্মের আড়ালে থাকা মানুষ কৃষ্ণের সন্ধান করে গেছে। হ্যাঁ, বাসুদেব নয়, একদা ক্ষমতাশালী রাজপুরুষ বসুদেবের নিয়তিনির্দিষ্ট পুত্র নয়; রক্তমাংসের মানুষের খোঁজ করেছে এই উপন্যাস।







Reviews
There are no reviews yet.