Description
‘হেতমগড়ের গুপ্তধন’-এর কোন চরিত্রটির কথা আগে বলব। মাখনবাবুর কথা? এটা ঠিক যে, মাখনবাবু যদি রাগ করে বাড়ি ছেড়ে না বেরোতেন তা হলে কোনওদিনই আবিষ্কৃত হত না হেতমগড়ের লুকনো ধনরত্ন। আর এটাও ঠিক যে, মাধববাবুর তুলনা মাধববাবু নিজেই। কিন্তু ঘটোৎকচ না থাকলে কি মাধববাবু রাগতেন? ঘটোৎকচ অবশ্য মানুষ নয়, বিশুদ্ধ বাঁদর, কিন্তু বাঁদরামি ছাড়াও বিস্তর কীর্তিকাহিনীর নায়ক সে। সেবার ফুটবল খেলার রেজাল্ট যেভাবে পালটে দিল, তারপরেও কি শুধুই বাঁদর বলে তাকে উড়িয়ে দেওয়া যায়? অবশ্য ঘটোৎকচকে ওড়ানো যে অত সহজ কাজ নয় সেটা সব-থেকে ভাল জানত নন্দকিশোর নামের সেই ভূতটা, যে কিনা এই গুপ্তধন-অভিযানের আরেক নায়ক, আর যে নাকি কথায় কথায় ঢুকে যেত মাধববাবুর শরীরে। আর সেই কারণেই না মাধববাবু অমন বিশাল চিতাবাঘটাকে সঙ্গী করতে পারলেন। কী ভাবছ? ভূত কিংবা বাঘ এরা কীভাবে সঙ্গী হল আবার! আরে হয় হয়। শুধু জানার অপেক্ষা। ‘হেতমগড়ের গুপ্তধন’ পড়লেই জানতে পারবে যে, চোর আর দারোগা, বাঘ আর বাঁদর, ভূত আর মানুষ সব্বাই মিলে কী মজাদার কাণ্ডকারখানা বাঁধিয়ে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসকে যাকে বলে একেবারে দুর্ধর্ষ স্বাদের করে তুলেছে।







Reviews
There are no reviews yet.