Description
এই বসতিতে আরও অনেক উপযুক্ত পুরুষ থাকতে মন্নি কেন তার দাদা হবিকেই নির্বাচন করল, রুহ বুঝতে পারল না। কিন্তু বিপদ এল অন্য জায়গা থেকে। এখানকার গোষ্ঠীপতি হোমার-পুত্র কুশি কিছুতেই মন্নি ও হবির সম্পর্ক মেনে নিতে পারল না। সে দ্বৈরথে আহ্বান করল হবিকে। ভয়ঙ্কর যুদ্ধে কুশি নিহত হল। পালিয়ে বাঁচল হবি। কিন্তু ধরা পড়ল রুহ। পনেরো উত্তীর্ণ কিশোরটিকে খোলা আকাশের নীচে দিনের পর দিন বেঁধে রেখে শাস্তির চরম বিধান যখন চলছে, তখন কোখেকে কালো পোশাকে ঢাকা এক দীর্ঘকায় মানুষ এসে রুহকে মুক্তি দিল। পলাতক দাদা আর নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া মাকে খুঁজতে বেরোল রুহ। পথে যে-বৃদ্ধ মানুষটির সঙ্গে আলাপ হল রুহর, তার আত্মা প্রবেশ করল রুহর শরীরে। এই বৃদ্ধ আসলে এক রাজা, নাম যুবান। যুবানের তিনটি বাসনা। এক, জনৈকা চিত্ৰকারিকা রমণীকে ভোগ করা। দুই, জিবিল গাছের রস খাওয়া, যে-রস শুধুই স্বপ্ন দেখায়, স্বপ্ন। আর তিন, রাজা ভিষমকে যুদ্ধে হারানো। যুবানের আত্মা রুহকে নিয়ে চলল স্বপ্নের পথে, সংগ্রামের পথে। রুরুসা নাম্নী যে-নারীর সঙ্গে রুহর দেখা হল সে কি চিত্ৰকারিকা, না তার মা? নিয়তি আর কালপুরুষের যোগসাজশ, রুহকে দিগন্ত আর আকাশের কোন সন্ধিস্থলে ভাসিয়ে নিয়ে গেল শেষপর্যন্ত! সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কলমে অভিনব রূপকাহিনি।







Reviews
There are no reviews yet.