Description
যখন যখন ধর্মের নামে অধর্মের শাসন শুরু হয়, জাতের নামে মানুষ ভুলে যায় ভালোবাসার কথা, তখন ইশ্বর নেমে আসেন মানুষের মাঝে। বাবাসাহেব আম্বেদকারের অনেক আগে জাতিভেদ প্রথা এবং সামাজিক অসমতার বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছিলেন শ্রী শ্রী পূর্ণব্রহ্ম হরিচাঁদ ঠাকুর। বলেছিলেন “নরাকারে ভূমন্ডলে/ যতজন আছে / একজাতি ব’লে মান্য /পাবে মোর কাছে” । হরিচাঁদ ঠাকুর সমগ্র জীব ও মানব জাতির উদ্দেশ্যে জানিয়েছেন “জীবে দয়া নামে রুচি, মানুষেতে নিষ্ঠা / ইহা ছাড়া আর যত, সব ক্রিয়া ভ্রষ্টা।“ এর প্রায় ৭০ বছর পরে বিবেকানন্দর মুখে শুনি সেই এক ও অমোঘ বানী- “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।“ তাঁর দেখানো ভালবাসার পথে মাতোয়ারা ভক্তদের নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল “মতুয়া’ সমাজ। তাঁরই দেখানো পথে চলেছিলেন তাঁর সুযোগ্য পুত্র শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর। সারা ভারতে সর্বশিক্ষা আন্দোলনের তিনিই পথিকৃৎ। তিনি বলেছিলেন “খাও বা না খাও তাতে কোন দুঃখ নাই / ছেলে মেয়ে শিক্ষা দাও এই আমি চাই।“। তারপর এল দেশভাগের অভিশপ্ত সময়। পশ্চিমবঙ্গের স্রষ্টা ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির লড়াইয়ে বাঙালি হিন্দু পেল তার হোমল্যান্ড। উদ্বাস্তুদের সেই কালরাত্রির প্রহরী হয়ে এলেন উদ্বাস্তু আন্দোলনের জনক ব্যারিস্টার প্রমথরঞ্জন ঠাকুর । প্রতিষ্ঠা করলেন ভারতে প্রথম বেসরকারি উদ্বাস্তু কলোনী “ঠাকুরনগর” তথা “ঠাকুর ল্যান্ড এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড”। উদ্বাস্তু থেকে নাগরিক হওয়ার সেই লড়াই তাঁর মহাপ্রয়াণের পরও চালিয়ে গেছিলেন বড় মা বীণাপাণি দেবী। CAA এর মাধ্যমে আজ তাঁদের শরণার্থী থেকে নাগরিক হওয়ার লড়াই সম্পূর্ণতা পেয়েছে। এই সমগ্র ইতিহাস ফুটে উঠেছে এই বইয়ের প্রতি পাতায়।







Reviews
There are no reviews yet.